যখন সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হ্যাকারদের কব্জায়

সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ হচ্ছে  সাধারণ ব্যবহারকারীদের হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করা ।তারা সর্বদা কাজ করে যায় সাধারণ মানুষকে হ্যাকাররা যাতে করে হয়রানির শিকার করতে না পারে এবং তাদের কোন তথ্য চুরি করতে না পারে সে লক্ষ্যে।তারা সাইবার সংক্রান্ত সকল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যই কাজ করে যায়। কিন্তু সমস্যার সৃষ্টি হয় যখন শোনা যায় সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানই হ্যাকারদের কব্জায়।

বর্তমান সময়ে আমরা বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল, পত্রিকা,সক্ষম অথবা বিভিন্ন মিডিয়ায় শুনি হ্যাকিংয়ের ঘটনা। হ্যাকাররা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে নিচ্ছে,এটিএম বুথ হ্যাক করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এছাড়া তারা তাদের স্বার্থে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত হচ্ছে।আর এসকল থেকে সাধারন মানুষদের নিরাপত্তার খাতিরে কাজ করে এই সকল সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গুলো।তারা নিরলস পরিশ্রম করে আমাদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য।কিন্ত হ্যাকাররা প্রমান করে দিল এসকল সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও তাদের থেকে নিরাপদ নয়।তারা এসকল সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্যও হাতিয়ে নিচ্ছে।

এমনই  ঘটনা ঘটেছে মার্কিন সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কমোডোর ক্ষেত্রে।

জানা গিয়েছে তাদের নিরাপত্তা জনিত ত্রুটির কারনে তাদেরই সকল তথ্য চলে গিয়েছে হ্যাকারদের দখলে। আর এ কারনে তারা তিব্র সমালোচনার পাশাপাশি পরেছে তিব্র প্রশ্নের মুখে মার্কিন সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কমোডো।

টেকক্র্যাঞ্চ জানায়,কমোডোর অভ্যন্তরিন নিরাপত্তাজনিত ত্রুটির কারণে এই হ্যাকাররা তাদের অধিকাংশ তথ্য তাদের কব্জায় নিতে সক্ষম হয়। হ্যাকারা কমোডোর অভ্যন্তরিন ফাইলে প্রবেশ করে তাদের অনেক তথ্য হাতিয়ে নেয় এবং চাইলে তারা এগুলো বিক্রিও করতে পারবে। এরকম তথ্যের মধ্যে রয়েছে,কমোডোর বিভিন্ন ডকুমেন্ট ফিনান্সিয়াল রিপোর্ট এবং তাদের কর্মকর্তাদের বায়োগ্রাফিও।

ফাঁস হওয়া সকল ডকুমেন্ট গুলো প্রথম নজরে আসে নেদারল্যান্ডের সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠানের। এবং পরবর্তীতে নেদারল্যান্ডের সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কমোডোর সাথে যোগাযোগ করা হয়। এবং সকল তথ্য হ্যাক হওয়ার ব্যাপারে তারা কমোডোকে নিশ্চিত করে।

সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট কোম্পানির মালিকানাধীন একটি পাবলিক গিট হাব একাউন্ট এ শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। এবং সে অ্যাকাউন্টে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি চালু না থাকার কারণে হ্যাকাররা খুব সহজেই একাউন্টের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড পেয়ে যায়। এবং হ্যাকাররা মাইক্রোসফ্ট ক্লাউড স্টোরেজে প্রবেশ করে। এবং তথ্য গুলো চুরি করে।

(Visited 15 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *