এই বর্ষায় সর্দি-কাশির মহাঔষধ পেয়াজ-পানি

শিরোনাম পড়ে অবাক হলেন তাইতো পেয়াজ পানি আবার কেমন মহা ঔষধ?অবাক হওয়ার কিছুই নেই।সত্যই এটি একটি অন্যতম উপকারি একটি পথ্য।বর্তমান সময় হচ্ছে বর্ষাকাল আর এ সময়ে জ্বর,সর্দি,কাশি স্বাভাবিক একটি বিষয়।আমরা প্রত্যেকেই পরি এমন সমস্যায় কারন এখনের আবহাওয়ায় ভেসে বেড়ায় নানা ধরনের রোগ জিবানু।যা আমাদের একটু অসাবধানতার কারনেই আক্রমণ করতে পারে।

আমরা সহজেই এই সময়ে আক্রান্ত হতে পারি এসকল অসুখ বিসুখে।আর আমাদের ভুগতে হয় এর অসহনীয় যন্ত্রনা।

এ সময়ে আমাদের যাদের বাড়িতে ছোট বাচ্চারা আছে তাদের নিয়ে পড়তে হয় আরো বেশি সমস্যায়।কারন ছোট বাচ্চারা এসকল রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।

এলাকা শান্ত হলে গিয়া কে তোমাকে চাই ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার একগাদা এন্টিবায়োটিক ঔষধ দিয়ে দেয়। যা খেলে পরে আমাদের জ্বর সর্দি পাশে ভালো হয়ে যায় ঠিকই। কিন্তু এসকল এন্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আমাদের পরবর্তী সময় সমস্যার সম্মুখীন করে।

তাই আমাদের এই সকল অ্যান্টিবায়োটিকে উপর অল্পতেই ঝাপিয়ে না পরে প্রাকৃতিক এবং ঘরোয়া কিছু উপর ভরসা করা উচিত। কারণ এগুলো ভাই সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এবং ভেষজ গুণসম্পন্ন। আর এ কারণেই এই বর্ষার সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতে এবং সহজ লভ্য একটি ঔষধ।

তাহলে প্রস্তুত প্রণালী জেনে নেয়া যাক –

একটি মাঝারি সাইজের পেয়াজ নিন এবং পেয়াজটি ভালো করে কুচি করুন। এক কাপ পরিমান পানি নিন এবং সেই পানিতে পেঁয়াজ কুচি গুলো ছেড়ে দিন।পেঁয়াজ কুচি গুলো পানিতে 6 থেকে 8 ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপরে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে নিন।

সেবন প্রণালী –

প্রাপ্তবয়স্করা প্রতিদিন ২ বার সেবন করুন।এবং বাচ্চাদের দিনে একবার সেবন করান।

এস এস এমন করলে আপনার সর্দি-কাশি একদম ছেড়ে যাবে। এবং আপনার কোন ডাক্তারের পরামর্শ এবং ঔষধ বা এন্টিবায়োটিক সেবন করা লাগবে না। এন্টিবায়োটিক ঔষধ আমাদের সাময়িক সময়ের জন্য খুব দ্রুত ফল দেখালেও পরবর্তীতে এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এছাড়া সর্দি বা কাশি মারাত্মক কোনো রোগ নয় তাই  এসকল রোগে আক্রান্ত হলে সাথে সাথে ডাক্তার দেখানো এবং ঔষধ সেবন করা উচিত নয় ।সর্দি কাশি সাধারনত বিশ্রামে এবং এসকল ঘরোয়া ওষুধে সেরে যায়। তবে এটি যদি গুরুতর আকার ধারন করে বা যদি আবহাওয়া জনিত কারনে না হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *