কোলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রনে রাখার গুরুত্বপূর্ন কিছু টিপস

কথায় আছে স্বাস্থই সকল সুখের মুল।আমাদের স্বাস্থ ভালো রাখতে কত কিছুই না করতে হয়।আমাদের স্বাস্থের জন্য হানিকারক রোগের অভাব নেই।এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন উপাদান যা আমাদের স্বাস্থের ক্ষতি করে।এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কোলেস্টোরেল। কোলেস্টেরল আমাদের শরিলে বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে প্রবেশ করে। কোলেস্টেরল হচ্ছে এক ধরনের চর্বি।কোলেস্টেরল আমাদের দেহের কোষের দেয়ালে থাকে।

আমাদের শরিলে দুই ধরনের কোলেস্টেরল আছে।এর মধ্যে একটি হলো লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন (এলডিএল) ও অন্য আরেকটি হলো হাইডেনসিটি লাইপো প্রোটিন (এইচডিএল)।কোলেস্টোরেল এর কারনে উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের নানা ধরনের অসুখ, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি হতে পারে।
তাই আমাদের কোলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রনের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিত।এবং কোলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রনে সচেতন হওয়া উচিত।কিছু সাধারন সচেতনতা আমাদের এই ভয়ানক কোলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রন করতে পারে।আমরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ন টিপস জানতে পারি যার মাধ্যমে আমরা এর থেকে মুক্ত থাকতে পারি!

১. নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে-

সারাদিন বসে থাকার কারনে আমাদের শরিলে কোলেস্টোরেল এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়। শারীরিক পরিশ্রম না করা শরীরে কোলেস্টেলের পরিমান বাড়ায় ও আমাদের হার্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।নিয়মিত ব্যায়াম করার কারনে একদিতে যেমন আমাদের কোলেস্টোরেল এর ক্ষতি কমায় তেমনি অন্যান্য সমস্যার হাত থেকেও আমাদের শরিল কে রক্ষা করে।আপনি অন্য ব্যায়াম করতে না পারলেও অবশ্যই প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা করে হাঁটুন।

২.ধূমপান ত্যাগ করতে হবে-

আমাদের শরিলের থেকে কোলেস্টেরল কমানোর প্রথম সূত্র হলো ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। সিগারেটে থাকা কারসিনোজেন হার্ট রেট বাড়িয়ে তোলে এবং রক্তের বাজে কোলেস্টেরল হার্টের সমস্যা তৈরি করে। ধূমপান আমাদের শরিলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে এবং হার্ট ভালো থাকে। তাই ধূমপানেে অভ্যাস থাকলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।ধূমপানের পাশাপাশি মদ্যপানও এড়িয়ে চলুন।

৩.কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলতে হবে-

পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট আমাদের শরিলের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তনালির ব্লক তৈরি করে। পাশাপাশি ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে এটি। তাই এ ধরনের খাবার এড়িয়ে যাওয়াই স্বাস্থের জন্য ভালো।

৪. হার্টের জন্য ভালো এবং কোলেস্টোরেল বৃদ্ধি করে এমন খাবার পরিহার করুন-

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে। এ ক্ষেত্রে সবজি, ফল, বাদাম ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখুন।এবং অতিরিক্ত চর্বি ও তেল যুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত।

আমাদের সচেতনতাই পারে আমাদের স্বাস্থকে সুস্থ- সুন্দর ও সতেজ রাখতে পারে।তাই আমাদের অবশ্যই স্বাস্থ সচেতন হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *