টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন কি এবং কেন ব্যবহার করবেন এ টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন হচ্ছে অনলাইনে আপনার বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট কে সিকিউর রাখার জন্য ব্যবহার করা একটি পদ্ধতি। যেখানে আপনার একাউন্টে লগইন করতে হলে আপনাকে পাসওয়ার্ড এর পাশাপাশি একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। আর যেগুলো প্রতিবার লগিন এর ক্ষেত্রে আপনাকে আলাদা আলাদা মেসেজের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আজ আমরা এই টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করব। টু স্টেপ ভেরিফিকেশন এর সুবিধা গুলো আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করব। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আরও সুরক্ষিত অবস্থায় থাকতে পারবেন। এ পোস্টটি হতে পারে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি অনলাইনে বিভিন্ন কারো সাথে সংযুক্ত হোন এবং আপনার অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে।

আসুন আমরা প্রথমেই জেনে নেই এই টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ আসলে কি:

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনাকে অতিরিক্ত সুরক্ষা প্রদান করা হয়। বর্তমান সময় পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করে থাকে হ্যাকাররা। এর ফলে আপনি যতই কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকুন না কেন আপনি যেকোনো সময় হ্যাকিংয়ের কবলে পড়তে পারেন। আর এ কারণেই গ্রাহকের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে অনলাইন সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন কোম্পানি টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করেছে।
টু স্টেপ ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে আপনি আপনার কোন একাউন্ট লগইন করতে প্রথমে আপনার সেট করা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করার পরে আরও একটি স্টেপ ব্যবহার করে তারা। যার মাধ্যমে আপনার লগিন কে আটকে দেয়। তারা টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে আপনাকে একটি ওটিপি(otp code) পাঠায়।OTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড। এর মানে হল এই পাসওয়ার্ডটি আপনি শুধুমাত্র একবারই ব্যবহার করে আপনার একাউন্টে লগইন করতে পারবেন। পরবর্তী মার লগ্নের ক্ষেত্রে তারা আবার নতুন পাসওয়ার্ড আপনাকে পাঠাবে। এবং সেই নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবার লগইন করতে হবে। তাহলে থেকে আপনারা টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ সম্পর্কে সামান্য হলেও জ্ঞান লাভ করতে পেরেছেন। যে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন আসলে কি।

আপনি যে সকল ক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন করতে পারবেন-

#ফেসবুকে লগইন করার ক্ষেত্রে।
#আপনার কোন অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ লগিন করার ক্ষেত্রে।
# যেকোনো ধরনের সেনসিটিভ তথ্য যেখানে সংরক্ষিত রাখা হয় সে সকল ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন।
এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু রয়েছে।

টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন এর প্রকারভেদ-

টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন অনেক উপায় হয়ে থাকে যেমন আপনার মোবাইল নাম্বারে মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে, গুগল অঅথরাইজড অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে, অন্যান্য অথরাইজড অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে ইমেইল এ টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কোড পাঠানোর মাধ্যমে।

তবে অনেক সাইট বা এপ্স আছে এখনো তারা টু স্টেপ ভেরিফিকেশন ব্যবহারের সুযোগ দেয় না।কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন এর সুবিধা রয়েছে এবং আপনি মনে করেন আপনার নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চেষ্টা ভেরিফিকেশন ব্যবহার করুন। এর ফলে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হ্যাকার এর পক্ষে শুধুমাত্র কষ্টসাধ্য নয়। বলতে গেলে দুঃসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *