ল্যাপটপ কিনতে যে সকল বিষয় মাথায় রাখবেন

ল্যাপটপ একটি নিত্য প্রয়োজনিয় একটি ডিসাইস।বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজ করতে ল্যাপটপের প্রোয়জন পড়ে।অফিশিয়াল কাজ ছাড়াও আরো অনেক ক্ষেত্রে ল্যাপটপের প্রোয়জন অনস্বীকার্য।বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের এবং ফিচারের ল্যাপটপ। এগুলো দামে এবং ফিচারে রয়েছে ব্যবধান।তাই ল্যাপটপ কেনার সময় আমরা দ্বিধায় পড়ি কোনটা কিনব এবং মডেল ঠিক করা একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

ল্যাপটপ মূলত কিনতে হয় ব্যবহারকারীর কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে। কারণ বিভিন্ন জন বিভিন্ন কাজ করে থাকে এ ল্যাপটপ দিয়ে। আমরা যদি ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে একে তিনটি স্তরে ভাগ করি।ভাগ তিনটি হচ্ছে হালকা, মধ্যম এবং ভারী। এই তিন ধরনের কাজের জন্য এবং স্থানভেদে কি ধরনের ল্যাপটপ নেয়া উচিত আজ আমরা সেটা জেনে নেব।

ব্যাহিক গঠন-

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে বাহিক গঠন বেশি গুরুত্বপূর্ণ না  হলেও এর উপর নজর দেওয়া উচিত। যারা অফিস এবং শুধুমাত্র বাসায় কাজের জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের জন্য এতো ভাবি এবং সাইজে বড় হলে সমস্যা হয় না। তবে যদি বিভিন্ন জায়গায় এটি নিয়ে যাওয়া লাগে তাহলে এর গঠন একটু হালকা পাতলা এবং সাইজের ছোট হলে বহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।

ব্যাটারি ব্যাকআপ –

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ব্যাটারি ব্যাকআপ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।কারণ ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো না হলে আপনি ল্যাপটপটি চালিয়ে মজা পাবেন না বারবার চার্জ করতে হবে। তাই আপনার প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে ব্যাটারি ব্যাকআপ এর দিক খেয়াল দিন। বাজারে যে সকল ল্যাপটপ রয়েছে এগুলোর ব্যাকআপ এর সময় এর ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে তাই এটি দেখে নে।এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকআপ এর সময় দেখে তারপর ল্যাপটপ কেনার সিদ্ধান্ত নিন।

প্রসেসর –

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে প্রসেসর হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস।কারণ এর উপর নির্ভর করে আপনার ল্যাপটপটি কত দ্রুত কাজ সম্পন্ন করবে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের প্রসেসর এর ল্যাপটপ পাওয়া যায়। কোর আই থ্রি থেকে শুরু করে আপনি কোর আই এই অথবা নাইনএপস ল্যাপটপ নিতে পারেন এটি নির্ভর করে আপনার কাজের চাপের উপর। আপনি যত ভারী কাজ করবেন তার উপর নির্ভর করে ল্যাপটপের প্রসেসর এর মান নির্ধারণ করুন।

র্যাম-

ল্যাপটপ এর আরেকটি অন্যতম বিষয় হচ্ছে এর র্যাম। এতে ল্যাপটপের গতি এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তবে সাধারন কাজের ক্ষেত্রে 4 থেকে 8 জিবি রেম এর ল্যাপটপ হলেই চলে। তবে যদি গেমিং এর জন্য ল্যাপটপ কিনে সে ক্ষেত্রে 16 থেকে 32 জিবির ভিতরে কিনলে ভালো হয়।

হার্ডডিক্স –

হার্ডডিক্স এটি হচ্ছে ল্যাপটপের স্টোর।এটিতে আপনি কি পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করতে চান তার উপর নির্ভর করে হার্ডডিক্স নির্ধারণ করুন আড়াইশো জিপি থেকে 1 টেরাবাইট পর্যন্ত হার্ডডিস্ক নিতে পারেন।

ওয়ারেন্টির শর্ত  –

ল্যাপটপ কেনার আগে এর ওয়ারেন্টি শর্ত গুলো দেখে নেয়া উচিত। কারণ আপনার ল্যাপটপ কেনার পরে যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন আপনি কি কি সুবিধা পেতে পারেন সেগুলো জেনে নেয়া বাঞ্ছনীয়।তাই ওয়ারেন্টের শর্ত গুলো ভালো করে দেখে নিন।

উপরোক্ত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করেই আপনার পছন্দের ল্যাপটপ টি নির্বাচন করুন।এবং আপনার বাজেটের উপর নির্ভর করে একটি ভালো ব্রান্ডের এবং মডেলের ল্যাপটপ কিনে ফেলুন।বাজারে বিভিন্ন নামিদামি ব্রান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া যায় এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এবং সুপরিচিত কয়েকটি ব্র্যান্ড হচ্ছে অ্যাপল, তশিবা, ডেল, এইচপি, আসুস,স্যামসাং, লেনোভো ইত্যাদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *