হাঁটার কয়েকটি উপকারিতা

হাঁটা হচ্ছে একটি সহজ এবং উপকারী ব্যায়াম। একটি মানুষ প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে হাঁটলে তার বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দূর হয়ে যায়।নিয়মিত হাঁটার ফলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা দেখা যায় প্রতিদিন হাঁটলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়। তাই আমাদের প্রতিদিন হাটা উচিত হাঁটার কয়েকটি উপকারিতা আজ আমরা জানবো। ছোট বড় সকলেই হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন প্রতিদিন হাঁটলে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা ও লাভ হয়।

যারা নিয়মিত হাটে তাদের হার্টের অসুখ কম হয় নিয়মিত হাঁটলে হার্ট সুস্থ থাকে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।নিয়মিত হাঁটার ফলে আমাদের শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিআর এর মাত্রা বেড়ে যায়।এছাড়া নিয়মিত হাঁটার ফলে আমাদের শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। যারা প্রতিদিন 30 মিনিট করে হাটে তাদের উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। 27 শতাংশ উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করে। এটি যুক্তরাজ্যের এক স্ট্রোক গবেষণায় এটি জানা গেছে।

এছাড়া আমেরিকার হার্ট এসোসিয়েশন গবেষনা করে জানায়,নিয়মিত হাঁটার ফলে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। স্থূলতার ঝুঁকি কমে এবং করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

নিয়মিত হাটার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের কে ডাক্তার হাঁটার পরামর্শ দেন। এর ফলে তাদের উপকার হয়। এ ছাড়া হৃদরোগের কারণে  কোলন ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

হাটার কারণে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যারা নিয়মিত হাটেন তারা অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি থেকে মুক্ত থাকে।

মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তিও কমে যেতে শুরু করে।মানুষের বয়স যখন ৬৫ বছরের উপরে হয়ে যায় তখন মানুষের স্মৃতিশক্তি অনেক কমে যায়।এবং ৬ জনের মধ্যে ১ জনের স্মৃতিভ্রম হওয়ার আশঙ্কা থাকে।কিন্তু যারা নিয়মিত হাটেন তাদের স্মৃতিশক্তি সবল থাকে এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার হাত থেকে তারা মুক্ত থাকেন।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের জয়েন্টে ব্যথা হয়।নিয়মিত হাঁটার ফলে জয়েন্ট ব্যথার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। এবং হাটু এবং অন্যান্য জয়েন্টের ব্যাথা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।পায়ের শক্তি বাড়ে এবং পায়ের আঙ্গুল গুলোর ব্যায়াম হয়। এছাড়া কোমড় এবং অন্যান্য অঙ্গ গুলো নাড়াচাড়ার ফলে সে সকল অঙ্গগুলোর ব্যায়াম হয় এবং সেসব অঙ্গ গুলো সুস্থ থাকে।হাঁটার ফলে পায়ের সাথে সাথে আমার হাত সমান তালে নাড়াচাড়া করা হয় যার ফলে আমাদের পেশি শক্তিশালী হয়।

প্রতিদিন সকাল বেলা হাটার অভ্যাস থাকলে আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ হয়। আমরা প্রতিদিন যে সকল খাবার খাই  তা থেকে খুব কম পরিমাণে ভিটামিন ডি পাই।ভিটামিন বি আমাদের কুকুরের সঙ্গে অন্য কোষের সংযোগকে সক্রিয় রাখে।যার ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত কোষ দ্রুত ছড়াতে পারে না।

সর্বোপরি সকাল বেলার পরিবেশ থাকে সুন্দর এবং নির্মল।তাই আমরা যদি প্রতিদিন সকাল বেলা হাটার অভ্যাস করতে পারি তাহলে আমাদের মন ও সুন্দর থাকবে। তাই আমাদের সকলের সুস্থ থাকার তাগিদে সকাল বেলা কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাটার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *